নোয়াখালী-১ আসনে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে জহিরুল ইসলাম।
নোয়াখালী-১ আসনে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে জহিরুল ইসলাম।
নিজস্ব প্রতিবেদক : নোয়াখালী জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন হচ্ছে নোয়াখালী-১ । যেটি চাটখিল ও সোনাইমুড়ি উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন-২৬৮ । কোনো এক সময়ের বিএনপির ঘাঁটি বলে পরিচিত প্রবাসী অধ্যুষিত এ আসনে টানা গত তিনবার ছিলো আওয়ামী লীগের ইব্রাহিম এমপির দখলে। কিন্তু আওয়ামী সরকারের পতনের পর এইবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এই আসনের সমীকরন সম্পূর্ণ রুপে পাল্টে গেছে।
দেশের বহুল আলোচিত এই আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার এ. এম. এম. মাহবুব উদ্দিন খোকন, ডা. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো: জহিরুল ইসলাম কাউসার। তবে চাটখিল-সোনাইমুড়ির সাধারন ভোটারদের জরিপে এই আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে মো: জহিরুল ইসলাম কাউসার। তারুণ্যদীপ্ত সমাজসেবক জহিরুল ইতোমধ্যে সমাজে বিভিন্ন মানবিক কাজের মাধ্যমে সাধারন ভোটারদের মন জয় করে নিয়েছেন। হয়েছেন সাধারন ভোটারদের কাছে প্রিয় থেকেও বেশি প্রিয়।
ব্যক্তি ইমেজেও অন্য দলের প্রার্থীর চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে রয়েছেন জহিরুল ইসলাম। জ্ঞানে, গুনে, মেধায়, মননে , কর্মে , কথনে অনন্য , অসাধারন একজন মানবিক মানুষ হিসেবে সমগ্র চাটখিল –সোনাইমুড়ি উপজেলার মানুষের কাছে এখন মানবিক একটি নাম মো: জহিরুল ইসলাম।
চাটখিল সোনাইমুড়িবাসীকে মানবিক সেবা দিতে জহিরুল ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন ডা. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশন নামে একটি সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এই সংগঠনের মাধ্যমে শুন্য গৃহহীন প্রকল্পের আওতায় চাটখিল-সোনাইমুড়ির অসহায়, গরীব ৪৮টি পরিবারকে লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করে দিয়েছেন পাকা ও আধা পাকা ঘর , চলছে ৪৯তম ঘরের কাজ। প্রজম্মকে আরবী শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে ১১০টি মসজিদে বিনামুলে দিচ্ছেন কোরান শিক্ষা। বেকার মহিলাদের স্বাবলম্বী করে তুলতে দেয়া হচ্ছে সেলাই প্রশিক্ষন। অসহায় বেকার যুবকদের দেয়া হচ্ছে কম্পিউটার প্রশিক্ষন। দক্ষ, অদক্ষ যুবদের বিনামূল্যে দেয়া হচ্ছে ড্রাইভিং প্রশিক্ষন। গরীব, মেধাবী হাজারো শিক্ষার্থীকে দিয়েছেন শিক্ষাবৃত্তি। এছাড়াও চাটখিল-সোনাইমুড়ি উপজেলাসহ সমগ্র দেশের প্রায় ১০ লক্ষ শিক্ষার্থীকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহনে বিদেশ গমনে বিনামুল্যে দিয়েছেন প্রসেসিং সেবা। কন্যাদায়গ্রস্ত পিতামাতার কন্যার বিয়েতে আার্থিক সাহায্য প্রদান, অসুস্থ রোগীকে আর্থিক সহায়তা। এছাড়াও ধর্ষণ সন্ত্রাস, মাদক সন্ত্রাস, ইভটিজিং রোধে বিভিন্ন সামাজিক ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ। নিরক্ষরতা দূরীকরণেও জহিরুল ইসলামের রয়েছে বিশেষ ভুমিকা পালন।
রাস্তা, ঘাট, পুল, কালবার্ট নির্মাণেও দিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকার অনুদান। এছাড়াও চাটখিল-সোনাইমুড়ি উপজেলার পাশাপাশি নোয়াখালীর আর্থসামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নেও আছে জহিরুল ইসলামের প্রশংসনীয় অংশীদারিত্ব। নোয়াখালী বিভাগ, বিমানবন্দর ও সিটি কর্পোরেশনের মত গনদাবির সাথেও একাত্মতা পোষন করে কাজ করে যাচ্ছেন মো: জহিরুল ইসলাম।
দলমত নির্বিশেষে চাটখিল-সোনাইমুড়ির উন্নয়নের স্বার্থে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মো: জহিরুল ইসলাম কাউসারকেই যোগ্য প্রার্থী বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা। চাটখিল সাহাপুর গ্রামের ভোটার মফিজুল ইসলাম বলেন, কত প্রার্থী আইলো,গেলো, কত জনরেই তো ভোট দিছি, কেউ আমাগো জন্য কিছুই করেনাই। তাই এইবার জহির সাবরেই ভোট দিমু। ওনি তো এমপি,মন্ত্রী না, তবুও আমাগোর জন্য অনেক কিছু করছে, তাই এবার ওনারেই আমরাf ভোট দিয়া এমপি বানামু।
নির্বাচন বিষয়ে এমপি প্রার্থী জহিরুল ইসলাম বলেন, ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন দেখতাম গরীব, অসহায় মানুষের সেবা করবো। আগামী প্রজম্মের জন্য সুস্থ্য, সুন্দর ও নিরাপদ চাটখিল-সোনাইমুড়ি উপজেলা বিনির্মাণে কাজ করবো। মহান আল্লাহ তাওফিক দিয়েছেন, সাধ ও সাধ্য দিয়েছেন তাই যতটুকু পারছি সাধ্যানুযায়ী প্রিয় চাটখিল-সোনাইমুড়ি উপজেলাবাসীর জন্য কাজ করছি। তবে বৃহৎ’ পরিসরে কাজ করার জন্য জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়েছি। উপজেলাবাসী যোগ্য মনে করে যদি আমাকে তাদের মুল্যবান ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে, তাহলে আমার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে আমার প্রিয় উপজেলাবাসীর জন্য প্রাণভরে কাজ করবো এবং এই উপজেলাকে সারা বাংলাদেশে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ।









