ঢাকা ০১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সমগ্র দেশকে অবিচল সাইবার সেবা দিয়ে যাচ্ছে নোয়াখালীর নাঈম

সমগ্র দেশকে অবিচল সাইবার সেবা দিয়ে যাচ্ছে নোয়াখালীর নাঈম.

সাইফুর রাসেল : প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে সাইবার সিকিউরিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চ্যালেঞ্জিং খাতে নিজের প্রতিভা ও দক্ষতা নিয়ে অবিচল কাজ করে যাচ্ছেন নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির ছেলে মোঃ নাঈম হোসেন.. সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কিত সমস্যা এবং সাইবার অপরাধের ঝুঁকি কমানোর প্রতি তার প্রবল আগ্রহ তাকে সাইবার সিকিউরিটির পথে নিয়ে আসে, সেই থেকেই সাইবার সুরক্ষা নিয়ে অবিচল কাজ করে যাচ্ছে নিঝুমদ্বীপ খ্যাত নোয়াখালীর ছেলে তারুণ্যদীপ্ত নাঈম. বলতে গেলে বাংলাদেশ সাইবার জগতের এক বিশ্বস্ততার প্রতীক মোঃ নাঈম হোসেন..

২০১৭ সাল থেকে সাইবার সিকিউরিটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন বিষয় নিয়ে কাজ করছেন তিনি। এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়ে সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। গ্রেটার নোয়াখালীবাসীর প্রাণের দাবি নোয়াখালী বিভাগ, বিমানবন্দর, সিটি কর্পোরেশন বিষয়েও নোয়াখালীর আন্দোলনকারীদের সাইবার সুরক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন নাইম.. শুধু “নোয়াখালী” জেলাতেই নয় প্রবাসে থেকেও আন্তর্জাতিক মানের সাইবার সুরক্ষা সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন সমগ্র বাংলাদেশকে।

নাঈম হোসেন বর্তমানে ” সাইবার সেফ হেল্পলাইন” সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে নাস্তিক দমন থেকে শুরু করে অনলাইনে সার্বক্ষণিক সাধারণ ইউজার এবং দেশ-বিদেশের কনটেন্ট কেউটরদের সাইবার  নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়াও ব্যক্তিগত এবং ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং, সাইবার বুলিং, স্ক্যামিং ও অনলাইন ব্ল্যাকমেইলিং-এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে অনেক সুনাম অর্জন করেছে।

নাঈম হোসেন বলেন, সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত জ্ঞানকে সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। যেন তারা নিজেদের সুরক্ষা নিজেরা নিশ্চিত করতে পারে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার ও সচেতনতা সম্পর্কিত জ্ঞান খুবই স্বল্প। তাই এই বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী। তার মতে “সোশ্যাল মিডিয়া’তে সবচেয়ে ঝুকিতে আছে মেয়েরা, তাই তাদের এই বিষয় গুলাতে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

বর্তমানে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটির বেশি। এর মধ্যে অধিকাংশ ব্যবহারকারী সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন না হওয়ায় প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে হ্যাকিং, স্ক্যাম এবং ডাটা লিকের মতো ঘটনা। এমন পরিস্থিতিতে মোঃ নাঈম হোসেনের মতো উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী।

মোঃ নাঈম হোসেন এর গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠান আগামী দিনের ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে।

মোঃ নাঈম হোসেন শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারে পারদর্শী নয়, সে দেশের জন্য কাজ করার এক অদম্য ইচ্ছা নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। সাইবার সুরক্ষা এখন আর শুধু প্রযুক্তি বিশারদের কাজ নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তা ও সামাজিক সচেতনতায় পরিণত হয়েছে। সাইবার জ্ঞান বৃদ্ধি করি, নিরাপদ সোশ্যাল মিডিয়া গড়ি এটাই নাঈমের প্রধান স্লোগান….

Tag :

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Update Time : ১১:৪৪:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সমগ্র দেশকে অবিচল সাইবার সেবা দিয়ে যাচ্ছে নোয়াখালীর নাঈম

Update Time : ১১:৪৪:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সমগ্র দেশকে অবিচল সাইবার সেবা দিয়ে যাচ্ছে নোয়াখালীর নাঈম.

সাইফুর রাসেল : প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে সাইবার সিকিউরিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চ্যালেঞ্জিং খাতে নিজের প্রতিভা ও দক্ষতা নিয়ে অবিচল কাজ করে যাচ্ছেন নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির ছেলে মোঃ নাঈম হোসেন.. সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কিত সমস্যা এবং সাইবার অপরাধের ঝুঁকি কমানোর প্রতি তার প্রবল আগ্রহ তাকে সাইবার সিকিউরিটির পথে নিয়ে আসে, সেই থেকেই সাইবার সুরক্ষা নিয়ে অবিচল কাজ করে যাচ্ছে নিঝুমদ্বীপ খ্যাত নোয়াখালীর ছেলে তারুণ্যদীপ্ত নাঈম. বলতে গেলে বাংলাদেশ সাইবার জগতের এক বিশ্বস্ততার প্রতীক মোঃ নাঈম হোসেন..

২০১৭ সাল থেকে সাইবার সিকিউরিটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন বিষয় নিয়ে কাজ করছেন তিনি। এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়ে সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। গ্রেটার নোয়াখালীবাসীর প্রাণের দাবি নোয়াখালী বিভাগ, বিমানবন্দর, সিটি কর্পোরেশন বিষয়েও নোয়াখালীর আন্দোলনকারীদের সাইবার সুরক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন নাইম.. শুধু “নোয়াখালী” জেলাতেই নয় প্রবাসে থেকেও আন্তর্জাতিক মানের সাইবার সুরক্ষা সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন সমগ্র বাংলাদেশকে।

নাঈম হোসেন বর্তমানে ” সাইবার সেফ হেল্পলাইন” সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে নাস্তিক দমন থেকে শুরু করে অনলাইনে সার্বক্ষণিক সাধারণ ইউজার এবং দেশ-বিদেশের কনটেন্ট কেউটরদের সাইবার  নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়াও ব্যক্তিগত এবং ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং, সাইবার বুলিং, স্ক্যামিং ও অনলাইন ব্ল্যাকমেইলিং-এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে অনেক সুনাম অর্জন করেছে।

নাঈম হোসেন বলেন, সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত জ্ঞানকে সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। যেন তারা নিজেদের সুরক্ষা নিজেরা নিশ্চিত করতে পারে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার ও সচেতনতা সম্পর্কিত জ্ঞান খুবই স্বল্প। তাই এই বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী। তার মতে “সোশ্যাল মিডিয়া’তে সবচেয়ে ঝুকিতে আছে মেয়েরা, তাই তাদের এই বিষয় গুলাতে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

বর্তমানে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটির বেশি। এর মধ্যে অধিকাংশ ব্যবহারকারী সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন না হওয়ায় প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে হ্যাকিং, স্ক্যাম এবং ডাটা লিকের মতো ঘটনা। এমন পরিস্থিতিতে মোঃ নাঈম হোসেনের মতো উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী।

মোঃ নাঈম হোসেন এর গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠান আগামী দিনের ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে।

মোঃ নাঈম হোসেন শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারে পারদর্শী নয়, সে দেশের জন্য কাজ করার এক অদম্য ইচ্ছা নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। সাইবার সুরক্ষা এখন আর শুধু প্রযুক্তি বিশারদের কাজ নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তা ও সামাজিক সচেতনতায় পরিণত হয়েছে। সাইবার জ্ঞান বৃদ্ধি করি, নিরাপদ সোশ্যাল মিডিয়া গড়ি এটাই নাঈমের প্রধান স্লোগান….